• +88 01991166550
  • rafiqul.pust.cse@gmail.com
Logo
/storage/photos/1/Blog/blog3.jpg

ঘরে বসেই তৈরি করে ফেলুন রেস্টুরেন্টের মত চিকেন বিরিয়ানি

ছুটির দিন মানেই বাড়িতে বাড়িতে বিরিয়ানি রান্নার ধুম। বিরিয়ানির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো স্বাদ আর ঘ্রাণ। দুইয়ে মিলে গেলেই জিভে জল আসতে বাধ্য। আর বিরিয়ানি রান্নার সব উপকরণগুলো যদি আসে খাস ফুড থেকে, তাহলে তো কথাই নেই। ঝটপট রান্না করে ফেলতে পারবেন যেকোন বিরিয়ানি। আজ আমরা চিকেন বিরিয়ানি রান্নার রেসিপিটা শিখে নেবো।

চলুন তাহলে সবার আগে জেনে নিই চিকেন বিরিয়ানি রান্নার প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহঃ

চিকেন রান্নার জন্যঃ

উপকরণগুলো সব গুছিয়ে নেয়া হয়ে গেলে এবার চলুন জেনে নিই চিকেন বিরিয়ানি রান্নার পদ্ধতিঃ

পেয়াজ কুচি,তেল এবং ঘি ছাড়া বাকি সব উপাদান মুরগির সাথে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। প্যানে তেল আর ঘি দিয়ে গরম হয়ে এলে পেয়াজ কুচি দিয়ে দিন। পেয়াজ সামান্য ভেজে মেরিনেট করে রাখা মুরগি সব মসলাসহ দিয়ে দিন। মুরগি হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে মুরগি নামিয়ে নিতে নিন।

রাইসের জন্য উপকরণঃ

  • ১/২ কাপ পেয়াজ কুচি
  • আদা বাটা ১ চা চামচ
  • রসুন বাটা ১ চা চামচ
  • খাস দেশি পোলাও চাল ১ কেজি
  • তেজপাতা ৩ টি
  • দারুচিনি ২ টুকরা
  • এলাচ ৫ টুকরা
  • খাস ঘি ৩ টেবিল চামচ
  • খাস সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ
  • লবন পরিমান মতো
  • গরম পানি চালের দ্বিগুণ (চাল যত কাপ হবে,পানি সেই কাপের দ্বিগুণ দিতে হবে। চাল যদি হয় ২ কাপ, পানি দিতে হবে ৪ কাপ)
  • কেওড়া জল ৪-৫ ফোঁটা
  • গোলাপ জল ২-৩ ফোঁটা

চিকেন বিরিয়ানি রান্নার পদ্ধতিঃ

প্রথমেই চাল ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। প্যানে তেল আর ঘি দিয়ে তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ দিয়ে নাড়ুন কিছুক্ষণ। এরপর পেয়াজ কুচি দিয়ে আরও কিছুক্ষন নেড়ে আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে নাড়ুন।এরপর চাল দিয়ে দিন৷ লবন দিয়ে চাল ভাজুন অনেকক্ষন। চাল ভাজা হয়ে এলে গরম পানি দিয়ে দিন। পানি ফুটতে থাকলে ঢাকনা দিয়ে চুলা মিডিয়াম আঁচে দিয়ে রাখুন। যখন পানি কমে যাবে,চাল দেখা যাবে, তখন আগে থেকে কষিয়ে রাখা মুরগি গুলো দিয়ে দিন। প্যানে ঢাকনা দিয়ে চুলা একদম কমিয়ে দিতে হবে। প্রায় হয়ে এলে কেওড়া জল আর গোলাপ জল উপরে ছিটিয়ে দিন।

সতর্কতাঃ

মুরগি রান্নার সময় চেষ্টা করবেন নন স্টিক প্যানে রান্না করতে। তাহলে আর আলাদা পানির প্রয়োজন হবে না। নন স্টিক প্যান না থাকলে ১ কাপের মতো গরম পানি দিন। পুরোটা একবারে না দিয়ে অল্প অল্প করে দেবেন। কারণ মুরগি কিন্তু খুব দ্রুত সিদ্ধ হয়ে যায়। বেশি সিদ্ধ হয়ে গেলে গলে যাবে। খেতে গেলে তখন আর মুরগির টুকরো খুঁজে পাওয়া যাবে না। চাল ভাজা হয়েছে নাকি তা বোঝার উপায় হচ্ছে চালটা ঝরঝরে হয়ে আসবে। নাড়া দিলে পাতিলে শনশন করে একটা শব্দ হবে। চালে পানি দেওয়ার আগ পর্যন্ত ভাজার সময় ক্রমাগত নাড়তে হবে। সে সময় চাল প্যানে লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ক্রমাগত নাড়তে থাকলে আর লেগে যাবে না।

হয়ে গেলো মজাদার স্বাদের চিকেন বিরিয়ানি। এই রেসিপি ফলো করে রান্না করলে রেস্টুরেন্টের চিকেন বিরিয়ানির চেয়েও মজাদার হবে। ছুটির দিনটাকে করে তুলুন আরো মুখর খাস ফুডের সাথে।

You need to Login OR Register for comment.

Comments (0)